দ্য জার্নি- মোখলেস মুকুল
"একটি শোক সংবাদ! মনিরামপুর নিবাসি আব্দুল জলিলের পুত্র, নুরুল ইসলাম গতকাল রাত এগারো ঘটিকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করিয়াছে, ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলায়হে রাজেয়ুন...। মৃত্যুকালে তাহার বয়স হইয়াছিল ছাব্বিশ…
"একটি শোক সংবাদ! মনিরামপুর নিবাসি আব্দুল জলিলের পুত্র, নুরুল ইসলাম গতকাল রাত এগারো ঘটিকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করিয়াছে, ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলায়হে রাজেয়ুন...। মৃত্যুকালে তাহার বয়স হইয়াছিল ছাব্বিশ…
পাতা বলতেই নির্মল জানতো পুকুর জলে চাল ধোয়া একজোড়া স্নেহের হাত, যে হাত মাছের কাঁটা ফুটে গেলেও যত্ন নিতে ভুলে না সংসারের। যে হাত আগলে নেয় পৃথিবী জোড়া নীল। নির্মল…
আমি কোন ধনীর সখা নই পান্থজনের সখা মাঠে ঘাটে পথে প্রান্তরে তাদের সঙ্গে হয় দেখা তাদের সঙ্গে শেয়ার করি মনের অনেক কথা সবাই পথের সঙ্গী হয় না চেষ্টা করো না…
থুরং চাপিয়ে চলে পাহাড়ের উঁচু নিচু ঢালে উদয়ের সাথে সাথে দুলকি চালে হাঁটে উত্তীর্ণ কৈশোরে বাঁকানো ভ্রু আমাদের সেই চির চেনা বিনম্র ম্রো নিয়েছে কলার কাঁদি কিছু পেঁপে আর অন্য…
কোনোখানে হাঁটে না আর কোনো পা দৌড়ায় দিগ্বিদিক কৌতূহলী চোখ মৈনাকপর্বতের পাদদেশে জিরায় মন কে যেনো চিৎকার দেয় ক্লান্ত যৌবন মন ও মননজুড়ে গোরকঘাটা জীবনের জলছবি আঁকছে জেলেমন ঝাউবন ও…
কবিদের সময় কই কবি তো পাখির মতো পরম স্বাধীন ইচ্ছে হলেই উড়াল বৈমানিক মনে মানুষের মনে বসে পাখির মতোন কিচিরমিচির করা কবির স্বভাব কবির সংসার হবে মুছে দেবে স্ত্রীর কপালের…
গাছের শিকড় থেকে আগায় এক নির্বাক প্রাণ, দোলে সময়ের সুরে সুরে। রোদে জলে লড়ে লড়ে .. বাঁচে। গুনগুন গান গায় ডানা মেলে প্রজাপতি আর মেহনতী মানুষ। রক্তে লেখা থাকে জলের…
""অন্ধকারও প্রেরণা হতে পারে""- আমি কিছু " স্বরচিত অন্ধকার" তোর জন্য রেখে যাব - যাতে করে তুই আলো চিনে নিতে পারিস এই সাদা-কালো আর বিচিত্র রঙের গোলকধাঁধায়। একদিন ক্লাস নিতে-নিতে…
বিষয় হচ্ছে- একুইশের খেইলটা ভাই আলাদা। চলতাছে নতুন ভাও। বুঝন লাগব, সময় কী চায়। যে তার নিজেরে সময় সময় নবায়ন অর্থাৎ রিন্যু করতে পারল না, এট্টু কাইব্য কইরা কই-একধারা মাডি ও বিষ্টির ভিত্রে দিয়া যাইতে পারল না, -তার ইন্তেকাল করা ভালো।/ মনে রাখবেন, প্রিয় অগ্রজ! জীবনের একটা অমোঘ ইমেজ হইল-/ লাউডগা সাপ / পাতার রঙে, আগারই ভঙ্গিমায়/ উঠে আছে হাওয়ার ঠোঁটে/ দুই নম্বর-/ খাড়া রইদের নিচে / মুড়েমুড়ে শুকাইছে রস/ অজান্তেই সোজা বালক অইয়া আছে। / {আহা রে! মিয়া ভাই!/ পলাপলি খেলা শেষে জোছনারও মায়া ছেড়ে- (জোছনাও এক মায়া, নাইয়াপাড়ার মাইয়াডার নামও) শইলে ঘুমের লাহান কালা কাপড়ের খেতাডা জড়িয়ে নিজ্ঝুম আর নিজ্ঝুমতার আওয়াজ--বালক! তুমি মরে আসছ, বালক! মইরা আইতাছ-}/ প্রিয় অগ্রজ, আপনি ওই বালক। আপনি মরে আসছেন। আপনি কবি হোন, দ্রুত কবি হোনঅই যে চেঙ্গাছোবার ধারে দেখেন, সাপটারে- কেমনে ছোলম ফালায়। / হাপের কথায় পড়ে আই। তার আগে চলেন একটু বায়োস্কোপ দেহাই। একটু বিষ্টি দেখবেন চলেন।বিষ্টি কী তা তো বোঝেন, মেঘবৃষ্টির দেশের মানুষ।/ -লিঙ্গ পুং, মাটি তার বউ। / লাগলো না খটকা? আচ্ছা। মেঘ তো বোঝেন। কমু নাকি? বৃষ্টি হইলো মেঘের.../ অইডা! খাড়া বা তেরছা।/ এখন ঘোর বর্ষাকাল। একটা কচু ফুল এনে দেখাতে পারলে ভালো করতাম। তার আগাÑ পরাণ পরাগ। যেন বাইয়া পড়ে। / এই দিশ্যে চৌখ মেললেন যিনি / মাডি ও বিষ্টির ভিত্তে দিয়া গেলেন জনমভর- / এ আষাঢ়ে, হেই শাওনে / মাথায় মানকচুর পাতা/ তিনি নতুন। / আপনি বরংÑ আটিগাঁয়ের রাস্তায় নেমে সোলোগান ধরুন-/ কবি আছে নি রে/ ................... কোন সে কবি /…
শংখতীরের সবুজ মেরাই প্রু পাড়া ঘনবৃক্ষের ওপর কালিদাসী মেঘ ভারা-ভারা বাতাস এখানে ঘিয়ে ভাজা প্রীতির পরোটা লতা আর পাতা মাটি ও আকাশে বিজলির ছটা আঁধারের রূপে চোখ ডুবে যায় দূরের…