৫টি কবিতা > লুইজ গ্লিক। ভাষান্তর : বদরুজ্জামান আলমগীর
৫টি কবিতা লুইজ গ্লিক ভাষান্তর : বদরুজ্জামান আলমগীর পুকুর রাত্রি তার পাখার নিচে ঢেকে রাখে পুকুর আজ চাঁদের চারপাশে একটি আলোর চাকতি আমি কিন্তু এমন করতেই পারি- তুমি…
৫টি কবিতা লুইজ গ্লিক ভাষান্তর : বদরুজ্জামান আলমগীর পুকুর রাত্রি তার পাখার নিচে ঢেকে রাখে পুকুর আজ চাঁদের চারপাশে একটি আলোর চাকতি আমি কিন্তু এমন করতেই পারি- তুমি…
তিনটি কবিতা সাদাত সায়েম রংরুট সহযাত্রী কামরাভর্তি রংরুট নির্লিপ্ত নিরাসক্ত ভঙ্গি ঘটনাচক্রে আমি আজ এক ট্রেনে তাদের সহযাত্রী তারা কি কিছু ভাবছে? এই ধরুন— ফেলে আসা ভোর, …
তবুও কি গল্পগুলি আড়ালেই রয়ে যাবে? মনজুরুল ইসলাম লেখকের মননে অন্তরিত ভাবনা এবং সে ভাবনার উপস্থাপন শৈলী সময়ের সাথে সাথে কখনো উৎকর্ষ অর্জন করতে পারে, আবার কখনোবা একটি নির্দিষ্ট স্তরে…
দু'টি কবিতা নিগার সুলতানা প্রার্থনা আমি প্রার্থনা করি আবার দেখা হলে, ঠিক এভাবেই সাজানো থাকবে আমার দেশ, আমার পৃথিবী! নিজের মতো থেকে যাবে বিশাল আকীর্ণ জলরাশি; ভূমন্ডল! শহীদ…
সব শব্দই উদ্বাস্তু ঋতো আহমেদ অদ্ভুত নৃশংসতা আর আশ্চর্য করুণার মধ্যেই বিস্তৃত রয়েছে জার্মান বংশদ্ভুত সুইডেনের কবি নেলি জাক্সের (Nelly Schas) রচনা সম্ভার। বিস্ময়কর প্রবলতার সেই ১৬ বছরের চিঠিপত্র-যোগাযোগের…
জুজুবুড়ি সংক্রাম বদরুজ্জামান আলমগীর বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন ধরে ভেবেছি আমি। একটানা ভাবার স্বভাব আমার। গভীরভাবে কিছু ভাবতে গেলে সাধারণত আমি দরজা বন্ধ করে দিই- হয়তো রুমের বাইরে থেকে ভেসে আসা…
দু'টি কবিতা মেহেনাজ মুস্তারিন চন্দ্রগ্রহন পড়ে আছি শূন্যতায়, কেউ নেই পাশে জোছনা যা ছিল চুরি হয়ে গেছে আমার অজান্তে, লাল পিঁপড়ার দল হেঁটে চলে গেছে, তাদের অরুচি এই…
দয়াময় পোদ্দারের কবিতা ফিদেল কাস্ত্রোকে লেখা একজন মানুষ অচেনা এক দ্বীপে আখের খেতে কাজ করেনএকজন মানুষ অচেনা এক দ্বীপে দিন এবং রাতের একাকার,জাল পেতে মাছ ধরেন। দুজন মানুষের কোনদিন দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি।আর সম্ভবও…
আজিজ কাজলের কবিতা হঁলা ঘাটে বরফ-শীতের মই ঘাটে এখনো তুলে আনি তোমার নিশিন্দা খই—উষ্ণ মেঘের পালক ছড়িয়ে জেগে আছো দুর্লভ পতঙ্গ শিহরণে। আমার ধ্যানস্থ গানে বাঁশ-কলমের ঝাঁক, কুলাপাতার শীত শীত বাহুডোরে বাঁধো তারে— পলকে পলকে ধরি তোমার কুল-বংশের গান, নতুন ঘ্রাণের গহন বাতাসে। শালুক শালুকে প্রতিদিন সোনা ধরতে পুকুর ঘাটে যেতাম; চিঠিদিন আসে নি, কবুতরের লাল ঠোঁট তখনো উষ্ণ হয়নি; মানুষ চোখের ইশারায় কথা বলতো, আমিও তোমার মুখের লবণ দেখে বুঝে নিতাম সকাল কি দুপুর। এই অসহ্য বোমারু বানে, প্রাণহীন নক্ষত্রে, তোমার নমিত শরীরে লেগে আছি-চাঁপাগন্ধের বিচুলি। কাঁচা পাটের পুতুল শরীরে ঢুকে যাচ্ছে খরস্রোতা নদী— লাল শজারু-চিঠির ই-যন্ত্র— ত্রিফলা চোখের প্রত্ন-খামে লিখি ইতিহাস ভুল! পারুল কণ্ঠের ভানে দুধশাদা পায়ে বিচুলি-ঘাসের লতা, বুক চিনচিন করে মায়া বাড়ে। কী-সুন্দর এই মোহ মুক্তির মধু! সরিয়ে দাও লাল-ঝরণা অবগুন্ঠের পাতা সারিময় বাঁশের পালের গোদায় এখনো আটকে আছি ; তোমাদের মতো এতো সভ্য'র ভান চিরজনমেও আর ধরা হবে না; বাঁধা হবে না লাউঝুট মাচাময় নব-ফিকিরে। মহাপতঙ্গ জ্বরে আরো কিছু পতঙ্গ ওড়াই; যাহাদের লালা আর নি:শ্বাসে জড়িয়ে আছে সঘন আমিষের ঝুল। তোমার দুধ-সার বলি রেখার ফাটল আরো দীর্ঘ হয়; নিলামে যাচ্ছে স্মৃতিভাঁজের সেই নির্মোহ ভালবাসা— অথচ অবুঝ অবুঝ নগর-খেলা চলছেই! তোমার কনকপাতার সাহসে রিনিঝিনি সূর্য-ঢোল…
কবি ফাউজুল কবির-এর মরমি চিন্তা বা ভাববিশ্ব: 'একা হলে জলতরঙ্গ নীলকন্ঠ বাউল' শোয়েব নাঈম ● ভূমিকা: ------------- প্রত্যেক কবির জেনেটিক উপাদানসহ নিজস্ব একটা ভূগোল থাকে, নিজস্ব দেশ থাকে। তাঁর মনের…