ওসমান গণি’র কবিতা
প্রশ্নের উত্তরঃ কবিতা ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর মানচিত্রের শেষ বিন্দুর সীমানায়
ঘরে ফেরার দিন
আমের বউল নেই বৈশাখী দুপুরে
শহর ওপার আকাশে আবির ঝড়
ইন্দ্রলোকে বাজছে ধ্বনি
হাওয়া কাঁচের ঘরে চোখে মুখে ঝিকিমিকি
আবছায়া
ভোলাচং মেলার রোদ্দুর এলোমেলো চুলে
ঘরে ফেরার দিন
সাঁওতালী পাতার অন্তরালে বাঁশির হাততালি
সময় একক ভাগে কত দুঃখ ব্যাধি মৃত্যু হল
কেন ঘরে ফেরা
যেসব মানুষের শস্যক্ষেত নেই!
মানুষের অনর্থক বস্তত নিরোপার
শ্রাবণের পূর্বরাগ
উত্তরসূরির কাছে অভিজ্ঞতা রেখে যেতে হয়
আমার গাঢ়তা এই অপেক্ষায়
স্বস্তিবোধ সুবিধার না পাঁজরের হাড়ে
কতটুকু ফুঁ দিলে কতটুকু বাজে
শূন্যধ্যানে ইউক্যালিপটাস
অরণ্য বাগানে দরোজা ভেঙে দেখি
তাজ্জব কী মূহুর্ত মানুষের মনে অসুখ
প্রিয় ফুল সূর্যমুখী হাসে
জোৎস্না মাটি ভরা আগুন শ্লোক নিয়ে
হয়তোবা না-হয় পূর্ণ ইহকাল
শ্রাবণের পূর্বরাগে উত্তরাধিকার বজ্রপুস্পে
প্রজাপতি উড়বে
জ্যোৎস্না জলে পানসি
ক.
নিজেকে ভেঙেছি শর্ত-হীনতায়
গণিশাহ দরগায় মেরুন তুঁতো-কালো পানসি
ভাসছে নিয়ে মানতের ফুল
খ.
ক্রমশ নিশ্চুপ আফাল ঢেউয়ে
আকুতি বর্ননা আর নি:শ্বাসধ্বনি চুইয়ে পড়ে
স্বপ্ন-সাকিন আকাশ হইতে উস্কোখুস্কো মাজারে,
গ.
দিবস অব্দি সন্ধেবেলা
জ্যোৎস্নায় ফুটফুটে পানসি ভর্তি আকরিক
ঘ.
বহু পেঁচা-নদী গজল স্রোতের আড়ালে
সবুজ দুর্বার রঙ নিয়ে
আলো কাঁপছিল জ্যোৎস্নার গম্বুজ
ঙ.
মহিমা মিম্বরে পুণরায় কুসুম-শিহরণ!
কালো পানসিগুলি নীরব ভূমিকায়
স্বল্পমূল্য পুস্পহার বালির কপালে টোকা দেয়, অস্থির
*****************************
