You are currently viewing সুকুমার হালদারের কবিতা

সুকুমার হালদারের কবিতা

সুকুমার হালদারের কবিতা

প্রশ্নের উত্তরঃ আমি চাই কবিতার নিভৃতি।কবিতা একলা চলার নীতিতে বিশ্বাস করি।এত আলো এত মঞ্চ এত হুল্লোড় আমার কবি্তা পছন্দ করে না। আমার বিশ্বাস নিভৃতি কবিতার প্রাণ।মাঝেমধ্যে জানলা দিয়ে বা অলি গলির দিকে মুখ বাড়িয়েও মুখ ফিরিয়ে নেয় আপন একাকীত্বে আপন নিভৃতিতে।

বসন্তগাছ

ধ্বংসস্তুপের মধ্যে একটা বাড়ি।একাকীত্ব জেগে আছে আমার কোলে মাথা রেখে।মাঝে মাঝে পাখিডানার ছায়া পড়ে বাড়িটার ওপর।নির্জনতার আলো কেবল ঘুরেফিরে বেড়ায় চারধারে।দীর্ঘায়ীত ক্লান্তি অদৃশ্য রেখায় ঘিরে রেখেছে চারধার।

এখানে বসন্তগাছ আবার কবে জন্মাবে জানি না
গোটা ধ্বংসস্তুপ বিস্ময়ে পূর্ণিমার দিকে তাকিয়ে!

চলো ফিরে

কী ভেবে এগিয়ে যাচ্ছি!
ভাবতে ভাবতে অনেক বেলা হয়ে গেল
এখনও বুঝে ওঠা হল না
সব কিছু বোঝা যায় না
সব কিছু বুঝতে নেই
এবার সন্ধ্যা নামবে
এগিয়ে চলো ফিরে
সেখানে,যেখান থেকে শুরু…

কথা মণিহার

শব্দ ধ্বনি ছায়া নিয়ে অনিবার্য পরিণতি
ভাঙা ঘাটে একাকী নৌকো
অনিশ্চিত বাস্তবতার ভিতর
প্রাণঘাতী নিঃসঙ্গতা
মায়া জপে যাদু
মরা গাছের মতো
পড়ে থাকে কিছু
কথা মণিহার
আর একটা
জগৎ
ভাঙা জল
মেঘলা আকাশ
মলিন ছায়া
ক্লান্ত রোদ
ভাঙা জানলা
বৃষ্টির ছাট
বনফুলের গন্ধ
অবাক দৃশ্য
দৃষ্টি বিভ্রম
জীবনানন্দের
কপাল ছুঁয়ে
মুক্তো দানার
হাসি ছড়ায়
আলো
গোধুলির গায়ে
আমি আবার
নিজের পুনর্জন্ম দেখি।
*********************

Leave a Reply