এরকম অসুখের রাতে
ওমর কায়সার
গোধূলির অন্ধ হাওয়ার মতো
কখন ভেতরে ঢুকে গেছে
এমন অসুখ বুঝতে পারিনি।
ওরা সব বাতি নিভিয়ে গোপনে
চুপচাপ সরে পড়ে
কর্পুরের গন্ধ মাখা আমার নীরব শয্যা থেকে।
যাতে আমি ডুবে থাকি ঘুমের অতলে।
অন্ধকারের নিজস্ব স্রোতে ভাসতে ভাসতে
দেখি দূরে কোথাও দ্বীপের মতো বাতি জ্বলে।
আমার ঘুম আসবে না।
সমস্ত পৃথিবী জুড়ে ফুটে আছে অনিদ্রা কুসুম।
এরকম অসুখের রাতে আমি ভাবি
পৃথিবীর কোথাও না কোথাও এখন
সূর্যোদয় হবে।
দ্রোহের ঘুঙুর
সাদাত সায়েম
হঠাৎ দেখি সুকান্ত
শহরের রাস্তায়
পরিপাটি চুল
দুই পায়ে তাঁর
দ্রোহের ঘুঙুর
দেখি কিশোরের চোখে
নাচে এক নতুন দিন
কিশোরীর হাতে
প্রাণের পতাকা
তার সমস্ত মহিমা নিয়ে
আজ উড্ডীন
অতএব তাহাকে গ্রহণ করো
ইউসুফ মুহম্মদ
বন্দরে নোঙর করে
মদের মঞ্জিলে সে নিজেকে পরিপূর্ণ অর্পণ করেছে
অতএব তাহাকে গ্রহণ করো…
ঠুমরি বাজে বংশি বাজে
বাজছে ছুতার মিস্ত্রি
হঠাৎ জাগে, কামের রাগে
লগ্ন পরের স্ত্রী।
অমাবশ্যা রাতে ঠোঁটে লিপ্জেল লাগিয়ে
যারা ইয়ার্কিতে মত্ত
তারা ছুঁতে পারে না প্রদীপ,
নয়নে মাখতে পারে না দীপাবলীর আলো
তাদের পায়ের তলে অন্ধকারের দুর্গন্ধ।
ও–সব এড়িয়ে সে রোদন দহনে পুড়েই
জ্যোৎস্না সাজায় কার যেনো চরণামৃত মাখানো পদ্মে
অতএব তাহাকে গ্রহণ করো।
কৃষ্ণ নাচে রামও নাচে…
দীপাধারে মন দে
নাচতে নাচতে নূপুর ছিঁড়ে
হ্লাদে নামে সন্ধে।
অতএব তাহাকে গ্রহণ করো
তারা